ই-কমার্স জগতে কয়েকটি বড় বড় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আলিবাবা অন্যতম। এই সেই আলিবাবা এক সময় শেয়ার র‍্যাংকিং এর সর্বচ্চ নিম্নতম স্থানে ছিল। ১৫ বছরের আগেকার আলিবাবা ই-কমার্স থেকে আজকের আলিবাবা আকাশ পাতাল ব্যবধান রয়েছে। চীনের ই-কমার্স জায়ান্ট আলিবাবা যখন যাত্রা শুরু করেছিল, তখন এর যাত্রাপথে ছিল বিভিন্ন বাধা। আর এর সাথে বিনিয়োগ সমস্যা তো ছিলই। সেসময় আলিবাবার প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক মা

অনেক বিনিয়োগকারির কাছেই গিয়েছিলেন বিনিয়োগ সংগ্রহ করতে। তবে কেউই তার ডাকে সাড়া দেয়নি। আর বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ না করার বিষয়ে সম্প্রতি কথা বলেছেন জ্যাক মা। গত বৃহস্পতিবার অ্যাপেক সম্মেলনে জ্যাক মা বলেন, “১৫ বছর আগে একাধিক বিনিয়োগকারীর সাথে আমি কথা বলেছিলাম। আমি আশা করেছিলাম এমন কাউকে খুঁজে পাব যিনি আলিবাবায় বিনিয়োগ করতে রাজি হবেন। তবে তারা তখন আমাকে চীনে অন্তত ই-কমার্স নিয়েই কথা বলতে না করেছিলেন। এর কারণ হিসেবে তারা বলেছিলেন যে দেশটিতে সেরকম কোন ব্যবসায়িক অবকাঠামো নেই।”

আলিবাবা ই-কমার্স জায়ান্ট

আলিবাবা

তবে বিনিয়োগকারীদের এসব কথা জ্যাক মা কিংবা আলিবাবা ‘র সফলতার পথে কোন বাধাই হতে পারেনি। আর যে অবকাঠামোর কথা তারা বলেছিলেন, সেটি নিয়েও খুব একটা চিন্তিত ছিলেন না জ্যাক মা। বরং এই দুর্বলতাকেই আলিবাবা কিংবা অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের শক্তিতে পরিণত করেছে। “চীনের ব্যবসায়িক অবকাঠামো তখন বাজে ছিল, আরও অনেক কিছুই ছিল না। কিন্তু যখন ইন্টারনেট এলো, আমরা ব্যবসায়িক অবকাঠামো দাঁড় করাতে ইন্টারনেট ব্যবহার করলাম।”, বলেন জ্যাক মা। তিনি আরও বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রে ওয়ালমার্ট এবং এই রকম আরও অনেক খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। ই-কমার্স তাদের জন্য হয়তোবা ডেজার্ট। তবে চীনের ই-কমার্সই মূল ব্যবসা।”

ই-কমার্স সম্বন্ধে আরও অধিক জানতে নিচের কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করুন। আশাকরি সকল প্রকার উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করবো। তবে নতুম উদ্যক্তাদের জন্য ই-কমার্স হতে পারে সব থেকে জনপ্রিয় মাধ্যম। আমাদের দেশেও এখন এটি অতি যত্ন সহকারে উল্যেখযোগ্য ভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমজনতাও এর চাহিদা অনুভব করা শুরু করে দিয়েছে। অদূর ভবিষ্যতে এর চাহিদা বাড়তেই থাকবে। তবে দেরি না করে আজি পরিকল্পনা শুরু করুন এবং তা বাস্তবে প্রয়গ করুন।

টেক ইন এশিয়া অবলম্বনে