বাংলাদেশের সবচেয়ে বিশ্বস্ত মুদ্রা এক্সচেঞ্জার ওয়েবসাইটের স্বাগতম। সোয়াপকোস্ট হল বিডির সবচেয়ে জনপ্রিয় অনলাইন এক্সচেঞ্জার। এখানে আপনি একটি মুহূর্তে আপনার টাকা পরিবর্তন করতে পারেন। আমরা বাংলাদেশের প্রথম মানুষ যারা ক্রিপ্ট মুদ্রায় সব ধরনের কাজ করছে। ফ্রিল্যান্সারদের জন্য, এখানে অর্থের একটি উদ্ভাবনী ব্যবস্থা। এখান থেকে আপনি বাংলাদেশি টাকা থেকে ডলার বা ইউএসডি থেকে বিডিটি থেকে অর্থ বিনিময় করতে পারেন। কিছু মুহূর্তে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত আন্তর্জাতিক মানিব্যাগ পরিবর্তন করতে ব্যবহার করা যেতে পারে। গ্রাহকগণ কোথাও বাংলাদেশে এই সুবিধা পেতে পারেন। আমাদের এক্সচেঞ্জ পরিষেবাদি পেপ্যাল, স্ক্রিল, নেস্টেলার, পেজা, পাইনিয়ার, পারফেক্ট মানি, ওয়েব মানি, বিটিসি, ইথ, এক্সআরপি, বিচ, এলটিসি, ড্যাশ, এক্সএমআর, ইটিসি, জেডইসি, মোনা, ক্রিপ্টো মুদ্রা।

আমরা কেন?
বাংলাদেশের বিখ্যাত বিদেশী মুদ্রা বিনিময়কারী
24/7 সমর্থন
সর্বোচ্চ হার
তাত্ক্ষণিক লেনদেন
আন্তর্জাতিক ওয়ালেট সুবিধা
নির্ভরযোগ্য এবং অভিনব এক্সচেঞ্জ
২0 মিনিটের মধ্যে অর্থ লেনদেন
প্রত্যয়িত এক্সচেঞ্জার

আধুনিক ই-কমার্সের যুগে, SwapCost.com ইন্টারনেটে অর্থ লেনদেনের সহজলভ্যতা ও সরলতা নিয়ে দৃষ্টি নিবদ্ধ করা শুরু করেছে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন মুদ্রা লেনদেনের অননুমোদিত জালিয়াতি এবং দুর্ভোগের অবসানের জন্য সোয়াপোকাস্ট ব্যবহার করুন। যাইহোক, সোয়াপকোস্ট অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে ইন্টারনেটে অর্থ লেনদেনের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

অর্থ গ্রহণ বা স্থানান্তর করার কোন সীমা নেই যদিও, যদি ব্যবহারকারী টাকা গ্রহণ করে বা ডলার পায় তবে প্রিন্সিপালের কাছ থেকে চার্জ 4% হবে। যাইহোক, এক সুবিধার হল যে ব্যবহারকারীর নিজস্ব রেফারেল লিঙ্ক বা মুদ্রা বিনিময় মাধ্যমে নিবন্ধন 0.5% বোনাস হতে পারে। ওয়েবসাইট বা ব্লগ আপনার রেফারেল লিঙ্কের সাথে যুক্ত হলে, কমিশন একটি পরিষেবা বিনিময় পাবে।

Swapcost ব্যবহার করার উপকারিতা

1) বাংলাদেশের জন্য সোয়াপোকোস্ট মুদ্রার একটি ভাল বিনিময়। আমরা https://swapcost.com এর মাধ্যমে বাংলাদেশের জন্য বিশেষায়িত সেবা প্রদান করি।

2) আপনি বিকাশ, রকেট, ডাচ বাংলা ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংকের মাধ্যমে যে কোনও সময়ে টাকা আদান প্রদান করতে পারেন।

3) আপনার সোয়াপকোস্ট অ্যাকাউন্ট থেকে, আপনি আন্তর্জাতিক মানিব্যাগের মধ্যে ডলার লোড করতে পারেন।

4) বাংলাদেশের অনেক অনলাইন দোকান পৃষ্ঠাটি সমর্থন করে, তাই আপনি অনেক পয়সা অ্যাকাউন্ট থেকে পণ্য কিনতে পারেন।

আরও তথ্যের জন্য বা জিজ্ঞাসা করার জন্য, যোগাযোগ করুন ক্লিক করুন

২০১৭ সালের মে থেকে বারতেশিফট তাদের রিব্র্যান্ডিং (swapcost) এর কাজ জনসমক্ষে শুরু করেছে, এবং যদিও তাদের পরিকল্পনা ছিলো ২০১৪ সাল থেকেই। অফিসিয়াল ঘোষণা অনুযায়ী ডিসেম্বর, ২০১৭ এর মধ্যে এই রিব্র্যান্ডিং (swapcost) এর কাজ পুরোপুরি শেষ হয়ে যাবে। এখন পর্যন্ত তারা তাদের পুরোনো ওয়েবসাইটের মাধ্যমেই সব সেবা প্রদান করে যাচ্ছে (bartershift.com), যদিও (swapcost.com) এ ব্রাউজ করা যায় কিন্তু শেষমেশ পুরনো সাইটেই ব্যবহারকারীকে রিডাইরেক্ট করা হয়।

স্বপক্স্ট কে ধরা হয় বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময়ের প্রধান বিকল্প হিসেবে। বিশেষ করে বাংলাদেশে গ্লোবাল কোন সাপোর্ট নেই সেসব দেশের জন্য স্বপক্স্ট একটি আদর্শ মাধ্যম। এটি অনান্য গ্লোবাল এক্সচেজ সাইটের মতই নিরাপদ, দ্রুত এবং সাশ্রয়ী অর্থ লেনদেনের পদ্ধতি। এর মাধ্যমে একজন ব্যবহারকারী থেকে অপর আরেকজনের কাছে মূহুর্তের মাধ্যে অর্থ লেনদেন করা যায়। অর্থ লেনদেনের জন্য প্রাপকের নাম বা ব্যাংক একাউন্ট কিছুই জানার প্রয়োজন নেই, কেবল তার ইমেইল ঠিকানাটিই যথেষ্ঠ।

বর্তমানে স্বপক্স্ট ০১ হাজার একাউন্ট হোল্ডার রয়েছে। এটি বাংলাদেশের একমাত্র বিশ্বস্ত নামকরা সাইট। ৬৫ টিরও বেশি জেলায় ১০ প্রকারের অর্থ লেনদেনের সুবিধা প্রদান করে ২০ প্রকারের কারেন্সিতে। ৩ শত এর বেশি মার্চেন্ট প্রতিষ্ঠান স্বপক্স্ট এর মাধ্যমে অনলাইনে সার্ভিস দিয়ে থাকে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে zugtech, ConnectExplorer এবং SafeTours।

swapcosst এর বহু ধরনের ব্যবহার থাকলেও আমাদের দেশে ফ্রিল্যান্সাররা ফ্রিল্যান্স,আউটসোর্সিং মার্কেটপ্লেস থেকে অর্থ উত্তোলনের জন্য এটি ব্যবহার করে থাকেন। যেহেতু বড় বড় সব মার্কেটপ্লেসগুলো বাংলাদেশি টাকা সাপোর্ট করে না তাই তারা কারেন্সি কনভার্ট করতে এটি ব্যবহারে সাচ্ছন্দ্যবোধ করেন বেশী। সাশ্রয়ী অর্থ লেনদেন এর একটি বড় গুন।

রেজিষ্ট্রেশন করার পদ্ধতি:

swapcost এ রেজিষ্ট্রেশন অত্যন্ত সহজ, যা কয়েক মিনিটের মধ্যেই সম্পন্ন হয়ে যায় এবং তা ফ্রি। তবে স্বপক্স্ট er সম্পূর্ণ সুবিধা পেতে হলে কয়েকটি বিষয় নিশ্চিত করতে হবে। স্বপক্স্ট এর নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য এটি প্রত্যেক ব্যবহারকারীকে তিনটি পদ্ধতিতে যাচাই করে থাকে। এগুলো হচ্ছে – ঠিকানা যাচাই, ব্যাংক একাউন্ট যাচাই এবং ক্রেডিট/ডেবিট কার্ড যাচাই। তৃতীয় পদ্ধতিটি হচ্ছে ঐচ্ছিক, তবে প্রথম দুটি অবশ্যই সম্পন্ন করতে হবে।

কারেন্সি কনভার্ট করা:
স্বপক্স্ট থেকে আপনার ব্যাংকে অর্থ উত্তোলন করতে হলে রিসিভ অপশনে আপনার ব্যাংক একাউন্ট ডিটেইলস যোগ করে নিন। এক্ষত্রে আপনার ব্যাংকের নাম, আপনার ব্যাংক একাউন্ট নাম্বার ইত্যাদি দিতে হবে। স্বপক্স্ট এ ব্যাংক একাউন্ট যোগ করার সাথে সাথে আপনি ব্যাংকে অর্থ উত্তোলন করতে পারবেন। তবে এক্ষেত্রে স্বপক্স্ট এ আপনার পেমেন্ট কমপ্লিট করতে হবে। টাকা গ্রহন করার জন্য ব্যবহারকারীর সেন্ডিং অপশন হতে মিনিমাম ১০ ডলার পরিমান অর্থ স্বপক্স্ট এ প্রদান করতে হবে।

স্বপক্স্ট থেকে টাকা Withdraw দেবার পর ১৫ থেকে ২০ মিনিট সময় নিবে আপনার বিকাশ অথবা রকেট পার্সোনাল এ টাকা আসতে। এই ফাঁকে আপনি ট্রাকিং কোড থেকে আপনার ট্রানজেকশন স্ট্যাটাস দেখে নিতে পারবেন। ওপেন করা ট্রাকিং আইডির পাশে স্ট্যাটাস এসে যাবে।

টাকা ব্যাংকে জমা হবার পর ইমেইল অথবা কন্টাক্ট এ যোগাযোগ করতে পারেন।
ট্রাকিং আইডির মাধ্যমে swapcost থেকে আপনি যে অর্থ পেয়েছেন তার তারিখ এবং ডলারের পরিমাণ দেখতে পাবেন।

যাদের ব্রাক বাংক অথবা ডাচ বাংলা বাংক রয়েছে তারা ইচ্ছে করলে স্বপক্স্ট এ এটিএম এর মাদ্ধম্যে টাকা লেনদেন করতে পারবেন। আপনার কার্ড ব্যবহার করে নির্ধারিত বুথ থেকে অর্থ বিনিময় করতে পারবেন।

ট্রানজাকশন ফিঃ

বর্তমানে স্বপক্স্ট ট্রানজাকশন ফি মাত্র ৪%। তারমানে আপনি যেকোন কারেন্সি কনভার্টের ক্ষেত্রে ৪% ফি দিয়ে সুবিধা গ্রহন করতে পারবনে।