আপনি প্রশ্ন করতে পারেন যে স্মার্টফোন আর ট্যাবলেট ডিভাইস না কিনে কেন আপনার একটি ফ্যাবলেট ডিভাইস কেনা উচিৎ! এর পেছনে চমৎকার কিছু অ্যাডভানটেজ বা সুবিধা কাজ করে থাকে। প্রথমে চলুন সেই অ্যাডভানটেজগুলো সম্পর্কে জানা যাক।

ফ্যাবলেট ডিভাইস গুলোর রিভিউ দেখুন :-

স্ক্রিন কোয়ালিটি

ফ্যাবলেট ডিভাইসগুলোর স্ক্রিন কোয়ালিটি হয়ে থাকে চমৎকার। আর আজারে বড় হবার কারণে মুভি দেখা, গেম খেলা এবং ব্রাউজিং করার ক্ষেত্রে চমৎকার সাপোর্ট করে থাকে এই ডিভাইসটি।

পারফর্মেন্স এবং ব্যাটারি লাইফ

যেহেতু স্মার্টফোন থেকে ফ্যাবলেট ডিভাইসগুলোতে ব্রাউজিং এবং স্মার্টফোন গেমিং-এর হার কিছুটা বেশি তাই ফ্যাবলেট ডিভাইসগুলোতে স্মার্টফোনের থেকেও বেশ শক্তিশালী হার্ডওয়্যার যুক্ত করা হয়।
স্মার্টফোনের থেকে কিছুটা আঁকারে বড় হওয়ার কারণে ডিভাইসগুলোতে যুক্ত করা হয় বড় আকারের ব্যাটারিও। ফলে, স্মার্টফোনের চাইতে ফ্যাবলেট এক চার্জে কিছুটা বেশিই ব্যাক-আপ দিয়ে থাকে।

সহজ আকার

অনেক ব্যবহারকারীই আছেন যাদের ট্যাবলেট ডিভাইস পছন্দ নয় কেননা ট্যাবলেট ডিভাইসের আকার কিছুটা বেশি বড় হয়ে থাকে যা একহাতে ব্যবহার করাটা বেশ কঠিন। আবার স্মার্টফোনের স্ক্রিনও কিছুটা ছোট হয়ে যায়। তাই সহজ সমাধান হিসেবে তাদের জন্য আদর্শ ডিভাইস হয়ে ওঠে ফ্যাবলেট ডিভাইস। কেননা, আকারে ফ্যাবলেট ডিভাইসগুলো ট্যাবের থেকে ছোট এবং স্মার্টফোন থেকে বড় হয়ে থাকে।

আমরা ফ্যাবলেট ডিভাইসের সুবিধা সমূহ দেখলাম! চলুন, এখন আমার তালিকায় থাকা বেস্ট ৫ টি ট্যাবলেট ডিভাইস সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক।

১। ভোডাফোন স্মার্ট আলট্রা ৬

আমার তালিকার প্রথমে রাখা এই ডিভাইসটি আমার কাছে একটি বেস্ট ভ্যালু ফ্যাবলেট ডিভাইস। ডিভাইসটি সম্পর্কে আমি একটি বিস্তারিত রিভিউ লিখেছি, আপনি চাইলে এই লিংকে গিয়ে পড়তে পারেন। তবুও ডিভাইসটির সম্পর্কে সংক্ষেপে রিভিউ করছি আবার।

ফ্যাবলেট ডিভাইস (5)

ডিভাইসটির কী ফিচারস:

  • ৫.৫ ইঞ্চি ফুল এইচডি ডিসপ্লে
  • স্লিক পারফর্মেন্স
  • ৪জি
  • মাইক্রো এসডি স্লট কার্ড

ডিভাইসটির ভালো দিক সমূহ:

  • স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী চমৎকার দাম
  • সলিড পারফর্মেন্স
  • চমৎকার ডিসপ্লে ইউনিট

ডিভাইসটির মন্দ দিক সমূহ:

  • ডিভাইসটির ক্যামেরা তুলনামূলক ভাবে কিছুটা ধীর গতির
  • ডিজাইনে নতুনত্ব নেই

ভোডাফোনের স্মার্ট আলট্রা ৬ ডিভাইসটি একটি অবিশ্বাস্য কম মূল্যের ফ্যাবলেট ডিভাইস এবং বর্তমানে যতগুলো ফ্যাবলেট বাজারে পাবেন তার মধ্যে সবচাইতে কম দামে এরকম স্পেসিফিকেশন শুধুমাত্র এই ডিভাইসটিই দিয়ে থাকে।

এই দামে আপনি বর্তমানে প্রযুক্তি বাজার ঘাঁটলে দেখতে পাবেন যে অন্যান্য স্মার্টফোনগুলোতে রয়েছে ৭২০ পিক্সেল প্যানেল যেখানে এই স্মার্টফোনটিতে রয়েছে ১০৮০ পিক্সেল প্যানেল যার অর্থ হচ্ছে ৫.৫ ইঞ্চি ডিসপ্লে আকার হওয়া সত্ত্বেও আপনি ডিভাইসটিতে শার্প ভিউয়িং এক্সপেরিয়েন্স পাবেন সহজেই। এক কথায় যদি বলি, ডিভাইসটির ডিসপ্লে ইউনিট বড়, শার্প এবং চমৎকার কালারও প্রদর্শন করতে সক্ষম।

স্মার্টফোনটিতে ব্যবহার করা হয়েছে স্ম্যাপড্রাগন ৬১৫ প্রসেসর এবং ২ গিগাবাইট র‍্যাম। এর রয়েছে আটটি কর্টেক্স-এ৫৩ কোর যার মধ্যে চারটি কোরের ক্লক স্পিড ১.৫ গিগাহার্জ এবং অন্যগুলোর ১.০।

স্মার্টফোনটির ক্যামেরা উজ্জ্বল আলোয় চমৎকার ইমেজ ক্যাপচার করতে পারে। কিছুটা সমস্যা হয় মেঘলা দিনগুলোতে। তবে ক্যামেরা ইউনিটটিকে বেশ ভালোই সাপোর্ট দিয়েছে এর হাই রেজ্যুলেশন সেন্সর কেননা এই ডিভাইসটি বেশ ডিটেইলড ইমেজ ক্যাপচার করতে পারে। তবে, এজন্য আপনাকে এই ডিভাইসটির ক্যামেরা অ্যাপটি প্রথমে ভালোভাবে ব্যবহার করা শিখতে হবে, যখন শিখে যাবেন তখন আর কোন রকম সমস্যাই ফিল করবেন না।

২। হুয়াওয়ে অ্যাসসেন্ড জি৭

দুই নাম্বারে আমার পছন্দের তালিকায় আছে হুয়াওয়ে অ্যাসসেন্ড জি৭ ডিভাইসটি। সংক্ষেপে করে আলোচনা করার আগে চলুন প্রথমে সংক্ষেপে ডিভাইসটির মূল ফিচার, ভালো এবং মন্দ দিকগুলো দেখে নেয়া যাক।

ফ্যাবলেট ডিভাইস (1)

ডিভাইসটির মূল ফিচার সমূহ:

  • ৫.৫ ইঞ্চি ডিসপ্লে
  • ১৩ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা
  • চমৎকার ব্যাটারি লাইফ

ভালো দিক সমূহ:

  • গড়ে তিন দিন পর্যন্ত ব্যাটারি ব্যাক-আপ
  • চমৎকার মেটাল বডি
  • বড় স্ক্রিন

মন্দ দিক সমূহ:

  • লো-ডিপিআই স্ক্রিন
  • কিছু সফটওয়্যার বাগ

চলুন, এবার চলে যাই সংক্ষিপ্ত রিভিউয়ে।

হুয়াওয়ের এই অ্যাসেন্ড জি৭ ডিভাইসটি আমার লিস্টে থাকা সেকেন্ড অ্যাফোর্ডাবল লিস্ট, হিসাবে মোটামুটি আইফোন ৬ প্লাস ডিভাইসের মূল্যের তিন ভাগের এক ভাগ দাম এই ডিভাইসটির। তবে শুধু যে দামের জন্যেই ডিভাইসটিকে আমি তালিকায় রেখেছি তা কিন্তু নয়, বরং এর দাম যদি আরও বেশি হতো তাও আমার তালিকায় ডিভাইসটিকে আমি রাখতাম।

ডিভাইসটিতে রয়েছে ১২৮০ x ৭২০ পিক্সেল রেজ্যুলেশন বিশিষ্ট ৫.৫ ইঞ্চি আকারের ডিসপ্লে যা খুব বেশি শার্প নয় তবে বেশ উজ্জ্বল এবং অ্যাকুরেট। আর দামের তুলনায় ডিভাইসটির বিল্ড কোয়ালিটি এবং ডিজাইন সত্যিই বেশ ইম্প্রেসিভ।ডিভাইসটির পেছন সাইডে অ্যালুমিনিয়ামের ব্যবহার ডিভাইসটিকে একটি প্রিমিয়াম লুক দেয়। আর ডিভাইসটি মাত্র ৭.৫ মিলি মিটার পুরু!

ডিভাইসটিতে যুক্ত করা হয়েছে স্ন্যাপড্রাগনের ৪১০ প্রসেসর এবং ২ গিগাবাইট র‍্যাম যা আপনাকে স্মুথ এবং সলিড পারফর্মেন্স ডেলিভার করবে। আর সবচেয়ে চমৎকার বিষয় হচ্ছে ডিভাইসটি এক চার্জে এভারেজ ব্যবহারে প্রায় ৩ দিন পর্যন্ত ব্যাক-আপ দিয়ে থাকে।

৩। এলজি জি৩

তালিকার তিন নম্বরে রাখা এই ডিভাইসটিকে আপনি বলতে পারেন নোট ৪ এর কিছুটা কম মূল্যের অল্টারনেটভ ভার্সন। সংক্ষেপে করে আলোচনা করার আগে চলুন প্রথমে সংক্ষেপে ডিভাইসটির মূল ফিচার, ভালো এবং মন্দ দিকগুলো দেখে নেয়া যাক।

ফ্যাবলেট ডিভাইস (2)

ডিভাইসটির কী ফিচারস:

  • ৫.৫ ইঞ্চি আকারের ২কে ডিসপ্লে
  • ১৩ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা
  • চমৎকার ডিজাইন

ডিভাইসটির ভালো দিক সমূহ:

  • পিন-শার্প কিউএইচডি ডিসপ্লে ইউনিট
  • লো লাইটেও চমৎকার ক্যামেরা পারফর্মেন্স
  • বড় ফোন হিসেবে ডিসেন্ট ডিজাইন
  • স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী কম দাম
  • স্লিক এবং সিম্পল ইউজার ইন্টারফেস

ডিভাইসটির খারাপ দিক সমূহ:

  • এভারেজ ব্যাটারি লাইফ
  • স্ক্রিন কিছুটা কম উজ্জ্বল
  • বাজে স্পিকার

এক নজরে দেখে নেয়ার পর চলুন এবার চলে যাই সংক্ষিপ্ত রিভিউয়ে।

এলজির জি৩ স্মার্টফোনটি এমন একটি ফোন যা হাতে নিলে বেশ ছোট একটি ডিভাইস মনে হয়। চমৎকার ডিজাইনের এই ডিভাইসটির ফিজিক্যাল বাটনগুলো পাশে বা উপরে না দিয়ে দেয়া হয়েছে ডিভাইসটির পেছনে, ক্যামেরার ঠিক নিচের অংশে, সম্ভবত এজন্যেই ডিভাইসটিকে হাতের মধ্যে ছোট লাগে।

এলজি জি৩ এর ডিসপ্লে ইউনিটিটি বেশ শার্প এবং ভালো ন্যাচারাল কালার এবং চমৎকার ভিউয়িং অ্যাঙ্গেল প্রদান করে। ডিভাইসটির ১৩ মেগাপিক্সেল ক্যামেরাটিতে রয়েছে লেজার অটোফোকাস সুবিধা যা লো-লাইটেও চমৎকার আউটপুট দিয়ে থাকে। ডিভাইসটিতে যুক্ত করা হয়েছে স্ন্যাপড্রাগন ৮০১ প্রসেসর যার ফলে ব্যবহারকারীরা একদমই ল্যাগ ফ্রি অ্যান্ড্রয়েড এক্সপেরিয়েন্স পাবেন। ডিভাইসটির ব্যাটারি লাইফও মোটামুটিই বলা চলে।

৪। আইফোন ৬ প্লাস

তালিকার চার নাম্বারে রাখছি অ্যাপলের আইফোন ৬ প্লাস ডিভাইসটিকে। সংক্ষেপে করে আলোচনা করার আগে চলুন প্রথমে সংক্ষেপে ডিভাইসটির মূল ফিচার, ভালো এবং মন্দ দিকগুলো দেখে নেয়া যাক।

OLYMPUS DIGITAL CAMERA

ডিভাইসটি কী ফিচারস সমূহ:

  • ৫.৫ ইঞ্চি আকারের ১৯২০ x ১০৮০ পিক্সেল রেজ্যুলেশন সমৃদ্ধ ডিসপ্লে
  • ৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা
  • চমৎকার গেমিং পারফর্মেন্স
  • গড়ে দুই দিন ব্যাটারি লাইফ

ডিভাইসটির ভালো দিক সমূহ:

  • চমৎকার ডিসপ্লে
  • শক্তিশালী ব্যাটারি লাইফ
  • ওআইএস সমৃদ্ধ চমৎকার ক্যামেরা ইউনিট
  • শক্তিশালী হার্ডওয়্যার

ডিভাইসটির মন্দ দিক সমূহ:

  • আকারে কিছুটা বেশিই বড়
  • দাম কিছুটা বেশি

এক নজরে দেখে নেয়ার পর চলুন এবার চলে যাই সংক্ষিপ্ত রিভিউয়ে।

আইফোন ৬ প্লাস ডিভাইসটিই অ্যাপল প্রতিষ্ঠানের তৈরি প্রথম ফ্যাবলেট ডিভাইস। ডিভাইসটিতে ৫.৫ ইঞ্চি আকারের এবং ১৯২০ x ১০৮০ পিক্সেল রেজ্যুলেশন থাকলেও ডিভাইসটির স্ক্রিন কোয়ালিটি স্যামসাং গ্যালাক্সি নোট ৪ বা এলজি জি৩ ডিভাইসের থেকে পিছিয়ে আছে। তবে, এই ডিভাইসগুলো থেকে পিছিয়ে থাকলেও এপর্যন্ত অ্যাপলের সব ডিভাইস থেকে এই ডিভাইসটিতেই যুক্ত করা হয়েছে সবচাইতে শার্পেস্ট ডিসপ্লে প্যানেল। ডিভাইসটি আকারে কিছুটা বড় তাই এটি এক হাতে ব্যবহার করা কিছুটা বিরক্তিকর হতে পারে দীর্ঘক্ষণ ব্যবহারের ক্ষেত্রে।

অ্যাপেলের আইফোন ৬ প্লাস ডিভাইসটিতে ব্যবহার করা হয়েছে একই কোয়াড কোর ৬৪ বিট এ৮ প্রসেসর ইউনিট যা আইফোন ৬ ডিভাইসটিতেও ব্যবহার করা হয়েছে। শক্তিশালী প্রসেসরের কারণে ডিভাইসটিতে ৩ডি গেমিং কোন ব্যাপারই না। এছাড়াও ডিভাইসটির ব্যাটারি লাইফও চমৎকার। এভারেজ ব্যবহারে ২ দিন পর্যন্ত ব্যাক-আপ দিতে সক্ষম এর ব্যাটারি ইউনিটটি, তবে ইন্টেনসিভ ব্যবহারে এর সময় ১ দিনেও নেমে আসতে পারে।

আইফোন ৬ এস ডিভাইসটির ক্যামেরা কোয়ালিটি অসাধারণ। আগে থেকেই অনেক স্মার্টফোন প্রেমীর কাছে আইফোন পছন্দই এর ক্যামেরা ইউনিটের জন্য। আর এক্ষেত্রেও অ্যাপেল এর ব্যবহারকারীদের হতাশ করেনি।

৫। স্যামসাং গ্যালাক্সি নোট ৪

আমার তালিকায় থাকে শেষ ফ্যাবলেট ডিভাইসটি হচ্ছে স্যামসাং গ্যালাক্সি নোট ৪ ডিভাইসটি। ছোট্ট করে আলোচনা করার আগে চলুন প্রথমে সংক্ষেপে ডিভাইসটির মূল ফিচার, ভালো এবং মন্দ দিকগুলো দেখে নেয়া যাক।

ফ্যাবলেট ডিভাইস (3)

মূল ফিচার সমূহ:

  • ৫.৭ ইঞ্চি আকারের ডিসপ্লে, ২৫৬০ x ১৪০০ পিক্সেল রেজ্যুলেশন
  • গড়ে দুই দিনের ব্যাটারি লাইফ
  • অপটিক্যাল ইমেজ স্ট্যাবিলাইজেশন সমৃদ্ধ ১৬ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা
  • এস-পেন স্টাইলাস

ডিভাইসটির ভালো দিক সমূহ:

  • এক্সেপশনালি শার্প এবং ভাইব্রেন্ট স্ক্রিন
  • ব্রিলিয়ান্ট ব্যাটারি লাইফ
  • সলিড অল-অলরাউন্ড ক্যামেরা
  • পাওয়ারফুল হার্ডওয়্যার

ডিভাইসটির মন্দ দিক সমূহ:

  • এস-পেনে কিছু সমস্যা রয়েছে
  • প্ল্যাস্টিক ব্যাক
  • দাম অত্যধিক বেশি

এক নজরে দেখে নেয়ার পর চলুন চলে যাই সংক্ষিপ্ত রিভিউয়ে।

স্যামসাং এর নোট ৪ ডিভাইসটি একটি শক্তিশালী স্ক্রিন। এতে আপনি পাবেন ২কে কিউএইচডি ডিসপ্লে যা আপনার অ্যান্ড্রয়েড ভিউয়িং এক্সপেরিয়েন্সকে করবে যথেষ্ট রিচ। ডিভাইসটির ডিসপ্লে চমৎকার এবং এর ডিসপ্লে ইউনিট বেশ শার্প এবং ভিভিড কালার প্রদান করে থাকে। এছাড়াও ডিভাইসটির ভিউয়িং অ্যাঙ্গেলও বেশ শক্তিশালী। এছাড়াও স্মার্টফোনটিতে ব্যবহার করা হয়েছে কোয়ালকমের স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসর এবং ৩ গিগাবাইট র‍্যাম। ডিভাইসটিতে কখনোই আপনার মেমরি স্বল্পতার কথা মনে হবেনা কেননা ডিভাইসটিতে রয়েছে ৩২ গিগাবাইট অনবোর্ড মেমরি এবং এর পাশাপাশি আপনি চাইলে ১২৮ গিগাবাইট পর্যন্ত এর মেমরি এক্সপ্যান্ড করতে পারবেন এক্সটারনাল মেমরি কার্ড ব্যবহারের মাধ্যমে।

শুধু যে স্মার্টফোনটির স্পেসিফিকেশনই শক্তিশালী তা কিন্তু নয় বরং স্মার্টফোনটি একটি চমৎকার প্রিমিয়াম ডিভাইস হিসেবেই তৈরি করা হয়েছে। অবশ্য এই বিষয়টি হাতে না নিয়ে শুধুমাত্র ডিভাইসটির দাম শুনলেই বুঝে নেয়া যায়। আমাদের দেশে স্যামসাং এর শোরুম থেকে ডিভাইসটি কিনলে আপনাকে গুনতে হবে ৮০ হাজার টাকার মত। কিন্তু আপনি যদি লোকাল মার্কেটে খোঁজ করেন তবে আপনি বেশ কিছু কমেই ডিভাইসটি কিনতে পারবেন।