প্রত্যেক ভালো দিকের আশেপাশে লক্ষ্য করলেই দেখা যায় কিছু খারাপ দিক রয়েছে।  ইন্টারনেট এর সাথে ঠিক যেমন ভাইরাস,মালওয়ার ইত্যাদি।যদিও এই জিনিশ গুলো প্রথম থেকেই রয়েছে, তবুও সাম্প্রতিক শেষ কিছু বছর ধরে যেমনি অধিকহারে বেড়েছে ইন্টারনেট এর ব্যাবহার তার সাথে পাল্লা দিয়ে ধাপে, ধাপে এসবের কার্যক্রম বেড়ে চলছেই  কিছু প্রয়োজনীয় টিপস আপনার সম্পূর্ণ অনলাইন সিকিউরিটির জন্য” আর সাথে তো হাকিং রয়েছেই।

বর্তমানে এখনো বেশির ভাগ ইন্টারনেট ব্যাবহার কারিই এসব সম্পর্কে আনাড়ি। যার ফলে তাদের এসব থেকে নিরাপদ থাকাটা সত্যিই একটি বড় চ্যালেঞ্জ। আর এই চ্যালেঞ্জের মাঝে সবাই টিকে না থাকার ফল হচ্ছে গণ্ডায়, গণ্ডায় ভাইরাসের আক্রমণ এবং হাকিং এর শিকার!!

তাই আজকে আমরা কিছু টিপস জানবো এবং মনোযোগ দিয়ে তা অবশ্যই বুঝার চেষ্টা করবো এবং আমি আশা রাখি সকলেই এর ব্যাবহার করবেন  কিছু প্রয়োজনীয় টিপস আপনার সম্পূর্ণ অনলাইন সিকিউরিটির জন্য” />। কারণ আপনার চ্যালেঞ্জ এর সাথে আপনাকেই লড়তে হবে। আমি শুধু মাত্র কিছুটা নির্দেশনা দেয়া ছাড়া আর কিছুই করতে পারবো না কিছু প্রয়োজনীয় টিপস আপনার সম্পূর্ণ অনলাইন সিকিউরিটির জন্য” /> । তাহলে চলুন মাঠে নামা যাকঃ

নির্দেশনা গুলো মেনে চললে আশা করা যায় ৯০% সুরক্ষিত অবশ্যই থাকবেন আপনি/ কিছু প্রয়োজনীয় টিপস আপনার সম্পূর্ণ অনলাইন সিকিউরিটির জন্য” />

১/ অবশ্যই সবসময় একটি ভালো এন্টিভাইরাস ব্যাবহার করবেন এবং নিয়মিত তার আপডেট রাখার চেষ্টা করবেন। আর পিসিতে যেন স্পায়ার আক্রম করতে না পারে  তাই একটি ভালোমানের এন্টি স্পায়ার ইন্সটল রাখবেন।

২/ সর্বদা আপনার পরিচিত ওয়েবসাইট, ব্লগ গুলোতে ভিজিট করুন। কোন নতুন ওয়েবসাইটে ভিজিট করার আগে সেটি সম্পর্কে অন্যদের কাছে জিজ্ঞেস করে এবং বিভিন্ন উপায়ে যতটা সম্ভব জেনে নিন। আর হ্যাঁ সামনে কোন অপরিচত বা বুঝতে পারছেন না এমন লিঙ্ক বা ব্যানারে অবশ্যই ক্লিক করা থেকে দূরে থাকুন।

৩/ কোন ফাইল/মেইল ইত্যাদি যখন আমরা পিসিতে ডাউনলোড করি তখন তা ওপেন করার আগে অবশ্যই স্ক্যান করে নিবেন। এতে করে ফাইলে কোন সমস্যা থাকলে তা ধরা যাবে। মনে রাখবেন এই ডিজিটাল যুগে একটি চোখে না পরার মতো ছোট সমস্যাও ক্ষতি করে দিতে সক্ষম আপনার অনেক বড় কোন প্রজেক্ট কে।

৪/ আপনার অপারেটিং সিস্টেম এবং ব্রাউজার গুলো নিয়মিত আপডেট করুন। সবচে ভালো এবং উন্নত মানের সার্ভিস পেতে পুরনো ভার্সন ফেলে দিয়ে সময়ের সাথে নতুন ভার্সন গুলো ব্যাবহার করতে শিখুন।

৫/ কোন কিছু না বুঝে ভুলেও কক্ষনো কোথাও আপনার পাসওয়ার্ড শেয়ার করবেন নাহ। সব সময় শক্ত ধরণের পাসওয়ার্ড রাখুন , যেমনঃ tamim**@zxcv12300** এবং সময় করে অবশ্যই প্রতি ৩ মাস অন্তর, অন্তর পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করবেন কিছু প্রয়োজনীয় টিপস আপনার সম্পূর্ণ অনলাইন সিকিউরিটির জন্য” />

৬/ সব সময় সাইটের লিঙ্ক এড্রেস আপনার ব্রাউজারের লগিন পেজের এড্রেস বারে লিখুন।

৭/ আপনার পাসওয়ার্ড লগিন করার জন্য কোথাও লেখার প্রয়োজন পড়লে আগে অবশ্যই দেখে নিন লিঙ্ক টি https রয়েছে কিনা Example.https://mail.google.com । যদি http:// থাকে তবে অবশ্যই দ্রুত সেখান থেকে বের হয়ে আসুন http://mail.google.com.

৮/ সাধারণ হাকিং গুলো আসলে বেশির ভাগ সখের বশেই করা হয় এবং এই হাকিং গুলো করা হয় বেশির ভাগ ফিশিং পদ্ধতি অবলম্বন করে। তাই এই ফিশিং সমন্ধে সচেতন থাকুন।

৯/ অনেকেই আছেন ফেসবুক, টুইটার বা ইত্যাদি সাইট থেকে বের হবার সময় “লগাউট” করেন নাহ। এ কাজটি অবশ্যই করবেন নাহ।

১০/ আপনার ব্রাউজারের কুকিজ, হিস্টোরি অবশ্যই পরিষ্কার করে রাখুন। প্রতিদিন অন্তত একবার করে ব্রাউজার পরিষ্কার করবেন। এক্ষেত্রে আপনি C Cleaner সফটওয়্যার টি usage করে দেখতে পারেন। এতে করে ব্রাউজারের সাথে, সাথে আপনার পিসিটিও থাকবে পরিষ্কার।

1 COMMENT

  1. অনেক ভাল হইছে। হ্যাক নিয়ে আর ও কিছু আলোচনা করবেন আশাকরি। নতুনদের কাজে আসবে। অনেকে এখন ভুল বশত হ্যাকার দের কবলে পরে যায়।