বর্তমান সময়েরে মানুষের জন্য সব থেকে ভয়াবহ বিষয়টি হচ্ছে ফেসবুক ফেইক আইডি । একটা সহজ প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় আপনার ফ্রেন্ড লিস্টের সব থেকে স্মার্ট ছেলে বা মেয়েটেকি রিয়েল? বুকে হাত দিয়ে কেউ ১০০% বলতে পারবে না যে আমার ফেসবুকের কথিত বন্ধুটি আসল। সত্যি বলতে ফেইক আইডি নিয়ে সবাই চিন্তিত। সোশ্যাল নেটওয়ার্ক এর মদ্ধে সব থেকে জনপ্রিয় হচ্ছে ফেসবুক আর ফেসবুকেই বিদ্যমান  লক্ষ্যাদিক ফেইক আইডি । ফেসবুক ঘাঁটলে দেখা যাবে ফাইক আইডির মেক্সিমামই মেয়েদের। আসলে কে বা কারা কি উদ্দেশ্যে এসকল ফেসবুক ফেইক আইডি খুলে আমার বুঝে আসে না। নিঃস্বই এসকল ফাইক আইডির পিছনে কোন না কোন কারন বিদ্যমান। বর্তমানে ফেসবুক ব্যবহার করে সব ক্যাটাগরির মানুষ জন। তারা আসলে অবগত নয় ফেসবুক ম্যালওয়ার সম্পর্কে। ফেসবুকের মাধ্যমে ছড়িয়ে পরছে ক্ষতিকারক সকল ধরনের ভাইরাস এক্টিভিটি যা বাস্তব জীবনের জন্য অনেক ক্ষতিকর। যা আপনার পার্সোনাল ইনফর্মেশন যেকোনো মুহুর্তে হাতিয়ে নিতে পারে। যদিও বা এসকল ব্যপারে ফেসবুক অবগত কিন্তু কি করার প্রায় তিন ভাগের এক ভাগ ইউজারই জানে যে ফেসবুকের এক তৃতীয়াংশ ফাইক। সুতরাং কানে পানি গেলেও নিরাময় করার কোন ওয়ে নাই। তাই সচেতন ব্যক্তি হিসেবে আপনার এবং আমারই উচিত এসকল ব্যাপার থেকে নিজেকে সেইফ করার। ফেসবুক ব্যবহারকারীর বেশিরভাগই হচ্ছে উন্নয়নশীল দেশগুলোর নাগরিক। তাই এসকল দেশ গুলর মানুষের মাঝেও সাধারণত ভূয়া ব্যাবহারকারীর সংখা বেশি।

ফেইক আইডি আইডেন্টিফাই

facebook fake id

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অধ্যাপকের সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, ফেসবুকে থাকা আপনার কয়েকশ বন্ধুর মধ্যে গড়ে সর্বোচ্চ ৪ জন থাকতে পারেন যারা আসলেই বন্ধু হিসেবে নির্ভরযোগ্য।

ফেসবুকে অনেক বন্ধু আছে আর বাস্তব জীবনে বেশি বন্ধু এমন ব্যক্তিদের মধ্যে কোনো যোগসূত্র আছে নাকি তা খুঁজে বের করতে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপক রবিন ডানবার এক গবেষণা করেছেন। গবেষণায় যারা অংশ নিয়েছিলেন তাদের সবারই ফেসবুক বন্ধুর সংখ্যা ছিল কম-বেশি দেড়শ। আর এর মধ্যে ফেসবুক বন্ধুদের প্রতি সত্যিকার সমবেদনা দেখিয়েছেন মোটে ১৪ জন। ফ্রেন্ডলিস্টে থাকা মানুষের মধ্যে ২৭ শতাংশকে বন্ধু হিসেবে বিবেচনা করেন গবেষণায় অংশগ্রহনকারীরা। বাস্তবজীবনের সঙ্গে হয়তো গবেষণার ডেটা অনেক ক্ষেত্রেই মিলে যাবে। তবে ফেসবুকে কারও সঙ্গে যে ভুয়া বন্ধুত্ব গড়ে তোলা সহজ এমনটাই ইঙ্গিত করছেন গবেষকরা।

তাই আজকেই আনফ্রেন্ড করবেন ৭ রকমের মানুষ ফেসবুক থেকে অবশ্যই ফেসবুক সম্পর্কে আরও পোস্ট দেখতে পারুন যুগটেকের ফেসবুক ক্যাটাগরি থেকে।

তাই সময় থাকতে নিন পদক্ষেপ নইলে দেখা দিবে অসহনীয় সমস্যা আর বাংলাদেশের ক্ষেত্রে সোশ্যাল নেটওয়ার্ক গুলো ব্যবহার করাও অনেক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। নির্দ্বিধায় মানুষের সাথে জরিয়ে পরা হতে পারে আপনার জন্য হানিকারক। আজ তাহলে এই পর্যন্ত দেখা হবে পরবর্তী পোস্টে। এক্সাম চলায় এতদিন অনেক ব্যস্তছিলাম এখন অনেক ফ্রী আছি আশাকরা যায় সামনে এরমকম আরও পোস্ট দিতে পারব। কমেন্ট করে পাশেই থাকবেন।

1 COMMENT