Akib Jabed

Akib Jabed

লেখক সম্পর্কে

যুগটেক এ যোগ দেয়ার পিছনে রয়েছে কিছু উদ্দেশ্য। আমি চাই উন্নত দেশ গুলোর মত এগিয়ে যাক আমার দেশ। আজকাল উন্নত হতে হলে সবার আগে প্রয়োজন প্রযুক্তি সম্পর্কিত জ্ঞান। সবার কাছে নিজেকে উপস্থাপন করতে গেলে এ জ্ঞানের প্রয়োজনীয়তা বোঝা যায়। আসলে বাংলা ভাষাভাষীদের মদ্ধে প্রযুক্তি প্রেমির অভাব নেই অভাব শুধু কিছু উদ্যোক্তার। তাই নিজে জানবো এবং অন্যকে জানাবো এই লক্ষ্যে আমি আছি প্রিয় যুগটেক এর সাথে। "নিজস্ব প্রতিভা অন্যকে শেয়ার করার মাধ্যমেই তো গড়ে উঠবে সোনার বাংলা"
মোট পোস্ট · 21 টি

আয়নাবাজি মুভি ২০১৬ Aynabaji ফুল এইচডি ডাউনলোড করে নিন এক্ষনি

বাংলা চলচিত্রের এক বিস্ময়কর স্ক্রিপ্ট হতে পারে আয়নাবাজি মুভিটি। আয়নাবাজি চলচিত্রের প্রায় সব গুলো যাগায় নিপুণ সৌন্দর্যতা খুঁজে পাওয়া যায়। এ যাবৎকালীন সব থেকে কাহিনী পূর্ন চলচিত্র হতে পারে আয়নাবাজি ছবিটি। সম্পূর্ণ ছবিটির দৃশ্যায়ন ঢাকাতেই করা হয়। ছবিটির দৃশ্যায়ন শুরু হয় ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে এবং শেষ হয় একই বছরের অগাস্টে। এই চলচ্চিত্রে করতে গিয়ে সাড়ে তিন মাস ভাত খাননি চঞ্চল চৌধুরী।

আয়নাবাজির কাহিনী বিন্যাস প্রচন্ড গতি আনতে সক্ষম হলেও চরিত্র বিন্যাসে আয়নাবাজি মুন্সিয়ানার পরিচয় দিতে পারেনি।

চরিত্রগুলো সব আয়না কেন্দ্রিক ছিলো। আয়না যখন যেভাবে চেয়েছে চরিত্রগুলো সেভাবেই রঙ বদলেছে।

ইউনিভারসিটি থেকে ইংলিশে মাস্টার্স পাশ করা একটা মেয়ে যথেষ্ট ম্যাচিউর্ড। তার টিনেজদের মত হঠাৎ করে তেমন

বড়কোনো লজিক্যাল কারন ছাড়া আয়নার মত একটা চাল-চুলোহীন যুবকের প্রেমে পড়ে যাওয়াটাকে একটু বেশি ন্যাকামো মনে হয়েছে।

এই ইলেকট্রিক মিডিয়ার যুগে আয়নার পেশাটাকে প্রচন্ড মাত্রায় অবাস্তব বলে মনে হয়।

আয়নাবাজি মুভি ২০১৬

%e0%a6%86%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%bf-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%ad%e0%a6%bf-%e0%a7%a8%e0%a7%a6%e0%a7%a7%e0%a7%ac

প্রকাশ্যে দিবালোকে কয়েদিদের গাড়ি থেকে আসল কয়েদিকে নামিয়ে প্রক্সি কয়েদি উঠানো গাজাখুরি গল্প ছাড়া আর কিছুই মনে হয়নি।

সাংবাদিক এর চরিত্রটা সারাক্ষণ আয়নার পাশে ঘুরঘুর করলেও কোনো প্রভাবকের ভূমিকা পালন করতে পারেনি।

বারবার সম্ভাবনা সৃষ্টি করলেও চরিত্রটা শেষ পর্যন্ত মখ থুবড়ে পরে। সিনেমার শেষে মনে হবে সাংবাদিক

চরিত্রটা না থাকনে সিনেমার কাহিনীর তেমন কোনো সমস্যাই হত না যদিও সিনেমার পর্দাজুড়ে

উল্লেখযোগ্য সময় নিয়ে ছিলো এ চরিত্রের বলিষ্ঠ পদচারণ কিন্তু তা ছিল নিছক সময় ক্ষেপণ।

শুরুতে একটা লাশের পায়ে নাম্বার বাথা দিয়ে কেনো শুরু করা হলো আর কেইবা এই মহিলা পরবর্তী ঘটনা প্রবাহে তা স্পষ্ট না।

আয়নাবাজির অন্যতম প্রশংসনীয় দিক এর সিনেমাটোগ্রাফি। বেশকিছু বার্ডস আই ভিউ শট ও

এরিয়াল শট দেখা গেছে যা বাংলা সিনেমায় খুব একটা দেখা যায় না। মাছের বাজারের হোল্ডিং লাইট

যে এতটা রোমেন্টিক আবহ তৈরি করতে পারে আয়নাবাজি না দেখলে তা বুঝতে পারা দায়।

পুরানো ঢাকার গলি গুপচি গুলোর নান্দনিক আবেদন যে এত বেশি তা হয়ত এর আগে কারো ভাবতেও কষ্ট হত।

প্রচন্ড আবেদনময় আবহ সংগীত আয়নাবাজিকে নিয়ে গিয়েছে এক অনন্য উচ্চতায়।

সবশেষে বলতে চাই আয়নাবাজি বাংলাদেশি চলচ্চিত্রে এক নতুন ধারা

সৃষ্টি করবে যা সৃজনশীল প্রযোজকদের আবার এ শিল্পে বিনিয়োগে সাহস যোগাবে।

শরাফত করিম আয়না (চঞ্চল চৌধুরী) –সাধারণ অভিনয় শিক্ষক আর পার্টটাইম জাহাজের কুকের ছদ্মবেশে লুকিয়ে থাকা এক অপরাধী !

তবে অপরাধের জগতে তার বিচরণ হল অন্য দাগী অপরাধীদের হয়ে জেল খাটা- অন্যের

হাঁটাচলা থেকে অঙ্গভঙ্গি সুনিপুণভাবে অনুকরণ করতে পারা মানে তার অভিনয়গুণই এক্ষেত্রে তার বড় যোগ্যতা।

এই চলচ্চিত্রে সে ছয়টি চরিত্রে অভিনয় করেছে। ছয়টি চরিত্রের প্রতিটি আলাদা।

সাধারণের চোখ ফাঁকি দিতে পারলেও এক হতাশাগ্রস্ত ক্রাইম রিপোর্টার (পার্থ বড়ুয়া)

সত্য উদ্ঘাটনের জন্য আয়না-র পিছু নেয়, অন্যদিকে পাড়ায় নতুন আসা মেয়েটি (নাবিলা)-র প্রতিও আয়না অনুরক্ত হয়ে পড়ে।

আয়নাবাজি মুভি ডাউনলোড করতে এখনি ক্লিক করুন aynabaji full movie download

আয়নাবাজি মুভি,আয়নাবাজি মুভি ডাউনলোড,aynabaji full movie download,aynabaji 2016

এই পোস্ট এর ট্যাগ সমূহ :

কোন মন্তব্য হয় নেই

এই পোস্ট এর জন্য মন্তব্য করুন, এবং উত্তর দিন

লগ ইন করুন এই পোস্টে মন্তব্য করতে ।